আপডেট: ২০২৪-০৪-২২
বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি
বাকেরগঞ্জের কলসকাঠি ইউনিয়নের উত্তর নারাঙ্গল গ্রামে তানিয়া আক্তার স্বামি মৃত মনির হাওলাদার নামে এক বিধবাকে বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছিল তিন সন্তানের জনক মজিবর গাজী। তিনি অত্র এলাকার সোবহান গাজীর সন্তান। ১৪এপ্রিল রবিবার রাত ১১ টার পরে মজিবর গাজি তানিয়ার বসত ঘরে ডুকলে, মজিবরের স্ত্রী টের পেয়ে তিনি তার ছেলে মেয়ে ও বাড়ির লোকজন নিয়ে তানিয়ার বসতঘর ঘেরাও করে, তানিয়া ও মজিবর কে টেনে হেচরে বের করে, কৌষলে মজিবর পালিয়ে গেলেও, মুজিবরের স্ত্রী ছেলে মেয়ে স্বজনরা তানিয়ার উপর হামলা ও বসত ঘরে ভাংচুর লুটপাট চালায়, ঘর থেকে বিষ হাজার টাকা কানের বালা নিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি এলাকায় মুখরোচক গল্প হিসেবে পরিনত হয়, এই বিষয়ে জানতে চাইলে তানিয়া সাংবাদিকদের বলেন আমি একজন বিধবা নারী মজিবর গাজী আমাকে বিয়ের আশ্বাসে দীর্ঘদিন আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে গেছেন এর ফলে আমি সাত আট মাস আগে গর্ভবতী হয়ে পড়ি তিনি আমাকে জোর করে দুমকির একটি ক্লিনিকে গিয়ে গর্ভপাত করায়, তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি বরিশালের একটি হোটেলে নিয়ে একরাতে রেখে চলে আসেন। এইভাবে নয় ছয় করে মজিবর গাজী আমার জীবনটাকে নষ্ট করে দিয়েছেন আমি এখন তাকে বিয়ে করতে চাই। মামলার প্রসঙ্গে বলেন আমি মার খেয়ে ক্লান্ত আমি থানায় মামলা করব। রবিবার কলস কাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফয়সল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদার দুইপক্ষকে ডেকে জোর করে সালিশ বৈঠকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আসামীদের আপিলে ৫০০০ টাকা কমিয়ে তানিয়ার হাতে ৫৫ হাজার টাকা তুলে দেন। বাকেরগঞ্জ থানায় তানিয়ার দেয়া অভিযোগের তদন্ত চলতেছে সেখানে আপনি শালিশ মীমাংসা করে জরিমানা করলেন কিভাবে চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্নার কাছে বক্তব্য নিতে গেলে তিনি জানাযায় আছেন বলে ফোন কেটে দেয় পরবর্তীতে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি, অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকতা বাকেরগঞ্জ থানার এসআই রেদোয়ান বলেন তানিয়া আক্তার বাঁকেরগঞ্জ থানায় এসে একটি অভিযোগ পত্র দিয়েছে ওসি সারের নির্দেশে সেটা তদন্ত চলমান রয়েছে মজিবর গাজী পলাতক রয়েছে হঠাৎ চেয়ারম্যান থানার তদন্ত চলমান সেটার বিচার কেমনে করলেন এটা আমার বোধগম্য নয়। নাম প্রকাশ না করে অনেকই অভিযোগ করে বলেছেন এই সালিশের পিছনে বড় বাণিজ্য হয়েছে অন্তত ৫ লক্ষ টাকার বাণিজ্যে ভুক্তভোগী তানিয়া পেল ৫৫ হাজার টাকা মাত্র।
© Copyright niropekkhasangbad.com
Developed By Muktodhara Technology Limited.